হাটহাজারির আন্দোলন,আল্লামা শফির ইজ্জত রক্ষা করেছে’’

Uncategorized

‘‘হাটহাজারির আন্দোলন,আল্লামা শফির ইজ্জত রক্ষা করেছে’’

—–হাফিজ মাওলানা ফরহাদ আহমাদ

আল্লাহ তাঁর ওলীকে পাক সাফ করে দুনিয়া থেকে তুলে নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের দোষারোপ না করে তাঁদের শুকরিয়া আদায় করা উচিত। তাঁদের ওসিলায় আল্লাহ হযরতকে জঞ্জালমুক্ত করেছেন।
এখন এই মুহূর্তে যদি এই আন্দোলন না হতো, তারপরও হাটহাজারী বিপ্লব একদিন হতোই। আন্দোলন না হলেও আজ হুজুরের ইন্তেকাল হতো।
জঞ্জাল রেখে হযরত বিদায় নিলে তখন অনেকে তাঁর দিকে আঙুল তুলতো। এখন আর সে সুযোগ নেই।
আন্দোলনের আরেকটি ইতিবাচক দিক হচ্ছে- এতোদিন যাবত যারা হযরতের নাম বেঁচে নিজের আখের গোছানোর চেষ্টায় লিপ্ত ছিলো, মৃত্যুর পরও তারা হযরতকে ব্যবহার করার চেষ্টা করতো। আন্দোলন সফল হওয়ায় তাঁদের আর সে সুযোগ থাকলো না।
একটি কথা মনে রাখা উচিত, আন্দোলনকারীরা কিন্তু হযরতকে বিতর্কীত করে নি। আজকে যারা তাঁর জন্যে মায়াকান্না করছে, তারাই হযরতের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে।
যারা হযরতকে বিতর্কীত করে তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে মাটিতে নামিয়ে এনেছিলো- আন্দোলনকারীরা মূলত তাঁদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে।
তাই বলা যায়- হাটহাজারী আন্দোলন আল্লামা আহমদ শফীর ইজ্জত রক্ষার আন্দোলন ছিলো।
তাঁকে পাকসাফ ও জঞ্জালমুক্ত করার আন্দোলন ছিলো।
তবে যারা অতি জযবায় মজযুব হয়ে হযরতের শানে বেয়াদবিমূলক মন্তব্য করেছেন, আমি তাঁদের থেকে বারাআত যাহির করছি।
এদের জন্যে আফসোস হচ্ছে। এদের এসব মন্তব্যে আল্লামা আহমদ শফীর কোনো ক্ষতি হয় নি। বরং এরা নিজেরাই বিবেকের আদালতে আসামী হয়ে থাকবে চিরদিন।
যারা নিজেদের স্বার্থে হযরতকে ব্যবহার করে তাঁর ইজ্জত নষ্ট করেছে এবং যারা খারাপ মন্তব্য করে হযরতের ইজ্জত নষ্ট করার চেষ্টা করেছে- কেউই আর কোনোদিন তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে পারবে না। তাঁদের কৃত গোস্তাখির জন্যে অনুতপ্ত হতে পারবে না।
এটাই তাঁদের জন্যে আফসোসের।
আল্লাহ সবাইকে ক্ষমা করুক। হযরত শায়খুল ইসলাম রাহ.কে জান্নাতের আ’লা মাক্বাম দান করুক। আমীন।

লেখকঃ সভাপতি ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখা।     

49

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *